Meghna Cement Mills Ltd.

News

News

খেলাধুলার মাধ্যমে দুই বাংলার মিলনের ডাক বসুন্ধরা এমডির

কলকাতা: খেলাধুলার মাধ্যমে দুই বাংলার মিলনের ডাক দিয়েছেন বসুন্ধরা এমডি ও শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি বলেছেন, এপার বাংলা ওপার বাংলা নয়, বাংলা আসলে একটাই। আসুন খেলাধুলার মাধ্যমে দুই বাংলাকে এক করি।     বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কলকাতায় সায়েম সোবহান আনভীরকে সংবর্ধনা দেয় ভারতের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব ইস্টবেঙ্গল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এদিন তাকে ক্লাবের আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা হয়। শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, আপনাদের আন্তরিকতা আমাকে শুধু মুগ্ধ করেনি, আমাকে ভালোবাসা দিয়ে আপনারা কিনে নিয়েছেন। আমিও আপনাদের বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এখানে অনেকবার শুনছি এপার বাংলা-ওপার বাংলা। আসলে বাংলাতো একটাই, ভাষাতো এক, মানুষগুলো তো এক, শুধু মাঝখানে একটা লাইন এসে গেছে। তাই বলে খেলা বন্ধ থাকবে? আসুন বাংলাকে খেলাধুলার মাধ্যমে এক করি। আমি চাই শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের খেলা হোক। আমি আশা করব, ক্লাবের কর্মকর্তারা আমার প্রস্তাব গ্রহণ করবেন। খেলার পুরো স্পনসর বসুন্ধরা করবে। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে সব সময় নিজের ক্লাব বলেই ভেবেছি। তাই এই ক্লাবের পক্ষ থেকে যখন আমন্ত্রণ আসে, তখন আর ‘না’ বলিনি। এই অনুষ্ঠানে ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব হৃদয় দিয়ে আমাদের কাছে টেনে নিয়েছে। আমরা চাই দুই বাংলার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে আরো কাছাকাছি আসুক। সংবর্ধনায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে সোবহান দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্লাবের লাল-হলুদ জার্সি, উত্তরীয়, ক্লাবের গোল্ড কয়েন, ফলের বাস্কেট, কলকাতার নানা স্বাদের মিষ্টি, বাংলার পাঞ্জাবি ও শাড়ি। শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে কলকাতাবাসীকে পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে বসুন্ধরা এমডি বলেন, শেখ রাসেল হলেন বাংলাদেশের জাতির পিতার সন্তান। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা। উনি আমাকে এই ক্লাবের দায়িত্ব দিয়েছেন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাকে যা বলবেন সব করে দেবো। আপনারা আন্তরিকতা দিয়ে আমাকে কিনে নিয়েছেন। এ সময় ইস্টবেঙ্গলের সভ্য সমর্থকরা তাকে হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার, ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট শান্তিরঞ্জন দাসগুপ্ত, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ইমরুল হাসানসহ বিশিষ্টজনের। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরার ইস্টওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলোর ঊর্ধ্বতনরা।

Banglanews24

News

আমরা চাই দুই বাংলার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ আরও কাছাকাছি আসুক : সায়েম সোবহান আনভীর

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর বলেছেন, “ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবকে সব সময় নিজের ক্লাব বলেই ভেবেছি। তাই ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে যখন আমন্ত্রণ আসে, তখন আর ‘না’ বলিনি। এই অনুষ্ঠানে ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব হৃদয় দিয়ে আমাদের কাছে টেনে নিয়েছে। আমরা চাই দুই বাংলার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে আরো কাছাকাছি আসুক।” আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা তথা ভারতের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব প্রাঙ্গণে এক জমকালো আয়োজনে সংবর্ধনা ও আজীবন সান্মানিক সদস্যপদ দেওয়া হয় সায়েম সোবহান আনভীরকে। সেখানেই তিনি এ ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে সায়েম সোবহান আনভীরের হাতে ইস্ট বেঙ্গলের জার্সি তুলে দেয়া হয়। পরে তার হাতে মেম্বারশিপ কিট তুলে দেন ইস্ট বেঙ্গলের সচিব কল্যাণ মজুমদার। গোল্ড কয়েন তুলে দেন ক্লাবের সহ-সচিব রূপক সাহা, দেবব্রত সরকার। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন সায়েম সোবহান আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সোবহান, ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব ভাইস প্রেসিডেন্ট শান্তি রঞ্জন দাসগুপ্ত, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভাইস প্রেসিডেন্ট ইমরুল হাসানসহ বসুন্ধরা মিডিয়া গ্রুপের শীর্ষ কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, “আপনাদের আন্তরিকতা শুধু মুগ্ধই করেনি, এই ক্লাবের আজীবন সদস্য করে আপনারা আমাকে কিনে ফেলেছেন। আমি আশাই করতে পারিনি এত সুন্দর সুসংগঠিতভাবে আমাকে স্বাগত জানানো হবে এখানে। আমাকে যেভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আমিও আপনাদের (ইস্ট বেঙ্গল) গোটা টিমকে বাংলাদেশে খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানাব।” শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র সম্পর্কে বলতে গিয়ে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, “এটি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের নামে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা। তিনি আমাকে এই ক্লাবটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমিও তার কাছ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা পাচ্ছি।” খুব শিগগির শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হবে যার পুরোটাই তিনি স্পন্সর করবেন বলেও জানান সায়েম সোবহান। ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে দেবব্রত সরকার জানান, “ভারতীয় ফুটবল ক্যালেন্ডার এর সাথে সময়সূচি মিলে গেলে দুই ক্লাবের মধ্যে ওই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে আমরা বাংলাদেশে গিয়ে খেলব।”

বাংলাদেশ প্রতিদিন

News

বসুন্ধরা এমডিকে আজীবন সদস্য পদ ও সংবর্ধনা দিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব

কলকাতা: বাংলাদেশের শীর্ষ শিল্প পরিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট ক্রীড়াপ্রেমী ও শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে সংবর্ধনা দিয়েছে ভারতের ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ক্লাব ইস্টবেঙ্গল। একইসঙ্গে তাকে ক্লাবটির আজীবন সদস্য করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) কলকাতায় এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী সাবরিনা সোবহান। সংবর্ধনায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে সোবহান দম্পতির হাতে তুলে দেওয়া হয় ক্লাবের লাল-হলুদ জার্সি, উত্তরীয়, ক্লাবের গোল্ড কয়েন, ফলের বাস্কেট, কলকাতার নানা স্বাদের মিষ্টি, বাংলার পাঞ্জাবি ও শাড়ি। অনুষ্ঠানে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, আপনাদের আন্তরিকতা আমাকে শুধু মুগ্ধ করেনি, আমাকে ভালোবাসা দিয়ে আপনারা কিনে নিয়েছেন। আমিও বাংলাদেশে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। এখানে অনেকবার শুনছি এপার বাংলা-ওপার বাংলা। আসলে বাংলাতো একটাই, ভাষাতো এক, মানুষগুলো তো এক, শুধু মাঝখানে একটা লাইন এসে গেছে। তাই বলে খেলা বন্ধ থাকবে? আসুন বাংলাকে খেলাধুলার মাধ্যমে এক করি। আমি চাই শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের খেলা হোক। আমি আশা করব, ক্লাবের কর্মকর্তারা আমার প্রস্তাব গ্রহণ করবেন। খেলার পুরো স্পন্সর বসুন্ধরা করবে। এরপর শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে কলকাতাবাসীর পরিচয় করাতে গিয়ে তিনি বলেন, শেখ রাসেল হলেন বাংলাদেশের জাতির পিতার সন্তান। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা। উনি আমাকে এই ক্লাবের দায়িত্ব দিয়েছেন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সহযোগিতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাকে যা বলবেন সব করে দেবো। আপনারা আন্তরিকতা দিয়ে আমাকে কিনে নিয়েছেন। এ সময় ইস্টবেঙ্গলের সভ্য-সমর্থকরা তাকে হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। ক্লাব কর্মকর্তা নীতু সরকার বলেন, ওনার শব্দ চয়ন আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভারতের ফুটবল ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সিডিউল ম্যাচ করলে নিশ্চয় বাংলাদেশে গিয়ে খেলব। আগামী দিনে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র এবং ইস্টবেঙ্গলের কী সমন্বয় ঘটে তা পরে জানতে পারবেন। এখনই সবকিছু বলবো না। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার, ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট শান্তিরঞ্জন দাসগুপ্ত, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ইমরুল হাসানসহ বিশিষ্টজনরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরার ইস্টওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলোর ঊর্ধ্বতনরা। ভারতের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গুরুত্ব ভারতের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯২০ সালের ১ আগস্ট অধুনা পূর্ববঙ্গের আবেগের স্ফুলিঙ্গ থেকে জন্ম নিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। সুরেশ চন্দ্রচৌধুরী, শৈলেস বসু ও নসা সেন- এই তিন পূর্বপুরুষের হাত ধরে শুরু হয়েছিল খেলার মাঠে পূর্ববঙ্গের অস্তিত্ব ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লড়াই। দল প্রথম মাঠে নামে ১১ আগস্ট হারকিউলিস কাপে। তখন পূর্ববঙ্গের বহু বিত্তবান মানুষ ছিলেন শহর কলকাতায়। আবেগী স্রোতে ভেসে যেতে এগিয়ে আসেন তারাও। তার ঠিক একবছর পর ইস্টবেঙ্গল ক্লাব মোহনবাগানের সঙ্গে ভাগাভাগি করে চলে আসে ময়দানে। যা বর্তমান ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এরপর ভারতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অনুমোদন পাওয়া এবং কলকাতা ফুটবল লিগের প্রস্তুতি। জন্ম নেয় ঘটি-বাঙালের লড়াই। ১৯২৫ সালে ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পায় প্রথম ডিভিশনে খেলার। সুযোগ পেয়েই হারায় মোহনবাগান দলকে। মাঠের বাইরে বাঙালদের হেয় করার জবাব প্রথমবার ফুটবলের মাধ্যমে দেয় ইস্টবেঙ্গল। ঘটিদের কৌলিন্যে সেটাই ছিল প্রথম এক সজোরে আঘাত। এরপর মাঠের বাইরে ফুটবল রাজনীতিতে জর্জরিত হয়ে ইস্টবেঙ্গলকে নেমে যেত হয় প্রথম ডিভিশন থেকে। সভ্য-সমর্থকরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে হাতে জ্বলন্ত মশাল নিয়ে। সেই প্রতিবাদের মশালই পরে হয়ে ওঠে ক্লাবের প্রতীক। ১৯৩১ সালে আবার ক্লাব উঠে আসে প্রথম ডিভিশনে। এরপর ভারতের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশে প্রভাব বিস্তার করে ইস্টবেঙ্গল। চীনের অলিম্পিক দলকে হারানোর পর ইউরোপ সফরে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। পরপর জেতা এবং ড্র, খালি পায়ে ইস্টবেঙ্গলের লড়াই দেখে গোটা ইউরোপ বিস্মিত হয়ে যায়। এরপর ৭০-এর দশকে শুরু হয় ইস্টবেঙ্গলের সোনালী যুগ। খানসেনাদের অত্যাচারে যখন বাংলাদেশের মানুষ শরণার্থী হয়ে আসতে শুরু করে কলকাতায়। তখন হাজারো কষ্টে, ব্যথা-বেদনায় সে সময় তাদের একমাত্র বিনোদন ছিল এই ইস্টবেঙ্গলের খেলা। সভ্য-সমর্থকদের দেশ ছাড়ার ক্ষোভ প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে এই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। দর্পে-গর্বে-প্রতিবাদে, ইতিহাসের পাতায় ক্লাবটি পাকাপাকি জায়গা করে নেয়। শতাব্দী প্রাচীন সেই ক্লাবের বিরামহীন আজও পথচলা। প্রতিবাদের আগুন থেকে তৈরি ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরা আজও মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, ‘মাছের রাজা ইলিশ আর খেলাতে ফুটবল, সেই খেলাতে সেরা দল আমার-তোমার-সবার ইস্টবেঙ্গল। ’ সেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এই প্রথম বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি ক্রীড়াপ্রেমী সায়েম সোবহান আনভীরকে সম্মান জানালো।

Banglanews24

News

পদ্মাপারের বিনিয়োগেই কি লাল-হলুদ মশাল জ্বলবে!

নিজস্ব প্রতিবেদন: চলতি মরশুমে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL 2021-2022) বিদায়ঘণ্টা বেজে গিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ( SC East Bengal)। ১৮ ম্যাচে (১টি জয়, ৭টি হার ও ১০টি ড্র) ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগের ‘লাস্টবয়’ লাল-হলুদ ব্রিগেড। আগামী মরশুমে ইস্টবেঙ্গল বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গেই আইএসএল খেলবে কিনা, তা নিয়ে রীতিমতো সংশয় রয়েছে। তবে ইস্টবেঙ্গল যে, কলকাতা লিগ (CFL), ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) এবং আইএফএ শিল্ড (IFA Sheild) খেলবে তা একপ্রকার নিশ্চিত। এমনকী আইএসএলের শেষ দুই ম্য়াচ আগে নেপালের তরুণ ডিফেন্ডার অনন্ত তামাংকে সই করিয়েছে লাল-হলুদ ক্লাব। দলগঠন করছে আগামীর কথা ভেবেই। মনে করা হচ্ছে আসন্ন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে আসতে পারে নতুন কোনও ইনভেস্টর। অন্তত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজকের পরে ইঙ্গিত কিন্তু সেদিকেই। এদিন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে সস্ত্রীক সংবর্ধনা জানানো হয়েছে। লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর ঐতিহ্যাবাহী ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও দেওয়া হয়েছে তাঁদের। আসন্ন আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের পাশে আনভীর থাকবেন বলেই জানা যাচ্ছে। তবে পদ্মাপারের বিনিয়োগেই লাল-হলুদ মশাল জ্বলবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনও স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যাচ্ছে না। তবে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত অবশ্যই রয়েছে। ক্লাবের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছেন আনভীর। তিনি লাল-হলুদ ক্লাবের জন্য কিছু করতে চান বলেও জানিয়েছেন। যাওয়ার আগে এও বলে গিয়েছেন যে, তিনি আবার ফিরে আসবেন। এটাই বলা যায় যে, ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর ইস্যুতে জল্পনা শেষ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ZEE ২৪ ঘন্টা

News

ইস্টবেঙ্গল ক্লাব ও শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের হাত ধরে দুই বাংলার মিলনের ডাক

বৃহস্পতিবার ক্লাব তাঁবুর লনে এই অনুষ্ঠানে ছিলেন সমরেশ চৌধুরি, ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, অলোক মুখোপাধ্যায়, অতনু ভট্টাচার্য, মেহতাব হোসেন, রহিম নবি, আলভিটো ডিকুনহা-সহ এক ঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হাত ধরে ভারত-বাংলাদেশ ফুটবল সংস্কৃতি এক ধাপ এগোল। তারা গাঁটছড়া বাঁধল বাংলাদেশের শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে। এই উপলক্ষে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সংবর্ধনা জানাল শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান, এবং বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম সোবহান আনভীরকে। বৃহস্পতিবার ক্লাব তাঁবুর লনে এই অনুষ্ঠানে ছিলেন সমরেশ চৌধুরি, ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, অলোক মুখোপাধ্যায়, অতনু ভট্টাচার্য, মেহতাব হোসেন, রহিম নবি, আলভিটো ডিকুনহা-সহ এক ঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার। এ ছাড়াও ছিলেন সোহবানের স্ত্রী সাবরিনা সোবহান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মহম্মদ ইমরুল হাসান। ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সুব্রত দত্ত, আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যাণ মজুমদার, সহ-সভাপতি শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত, সহ-সচিব রূপক সাহা, কর্তা দেবব্রত সরকার। সায়েম সোবহানকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফ থেকে সাম্মানিক আজীবন সদস্য পদ দেওয়া হয়। সুব্রত দত্ত এবং ইমরুল হাসান তাঁদের বক্তব্যে দুই বাংলার ফুটবল জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরেন। দেবব্রত সরকার বলেন, ‘‘এক সময় দুই বাংলা এক ছিল। শিল্প, সাহিত্য, খেলাধুলা এবং জীবনাদর্শে সারা পৃথিবীর সামনে উজ্জ্বল হয়েছিল। কোনও এক অজানা দেওয়ালের কারণে আমাদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমাদের হৃদয়ে বাংলাদেশ সেই একই রকম রয়েছে। আজ সেই হৃদয়ের টানেই দুই বাংলার আবার এক সাথে চলা প্রয়োজন। বসুন্ধরা এবং ইস্টবেঙ্গল ক্লাব মিলিত ভাবে দুই বাংলার সমন্বয়ের কাজ করতে পারে।’’ সায়েম সোবহান বলেন, ‘‘ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে সব সময় নিজের ক্লাব বলেই ভেবেছি। তাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফ থেকে যখন আমন্ত্রণ আসে, তখন আর ‘না’ বলিনি। এই অনুষ্ঠানে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব হৃদয় দিয়ে আমাদের কাছে টেনে নিয়েছে। আমরা চাই দুই বাংলার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও সাধারণ মানুষ ভবিষ্যতে আরো কাছাকাছি আসুক।’’

আনন্দবাজার পত্রিকা

News

বরিশালে কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের উদ্যোগে ‘রাজসভা’ অনুষ্ঠিত

বরিশাল: ‘স্বপ্ন নির্মাণে সঠিক সিমেন্ট’ স্লোগানে বসুন্ধরা গ্রুপের কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের উদ্যোগে রাজমিস্ত্রিদের নিয়ে বরিশালে রাজসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরের হাটখোলা সড়কে সিমেন্ট ও লৌহজাতদ্রব্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির ভবনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশালের পরিবেশক মেসার্স হাওলাদার আয়রন স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মাসুদ হাওলাদারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট সাউথ উইংয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (সেলস্) মো. জিয়াউর রহমান। সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে রাজমিস্ত্রিদের কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের ব্যবহার ও গুণগত মান সম্পর্কে অবহিত করেন প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ। এছাড়া সঠিক নির্মাণ কাজ পরিচালনা করা এবং নির্মাণ কাজে সিমেন্টের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করেন অ্যাসোসিয়েশন অব বিল্ডিং কনসালটেন্স বরিশালের সভাপতি প্রকৌশলী শাহাদাত শরীফ। এ সময় রাজমিস্ত্রিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিলার গাজী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মহিউদ্দিন গাজী এবং হাওলাদার ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী হাবিবুর রহমান। কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট বরিশালের অ্যারিয়া সেলস ম্যানেজার আব্দুল মালেক দেওয়ানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ, রাজমিস্ত্রী রাসেল হাওলাদার ও সোহাগ মোল্লা। অনুষ্ঠানে র‌্যাফেল ড্র এর মাধ্যমে ১০ জনকে পুরস্কার ও উপস্থিত ৪০ জন রাজমিস্ত্রিকে কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হয়।

Banglanews24

News

বরিশালে কিং ব্র্যান্ডের সিমেন্টের উদ্যোগে রাজসভা অনুষ্ঠিত

বরিশালের খবর ডেস্ক : বরিশালে বসুন্ধরা গ্রুপের কিং ব্র্যান্ডের সিমেন্টের উদ্যোগে নির্মান শ্রমিকদের নিয়ে রাজসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘স্বপ্ন নির্মানে সঠিক সিমেন্ট’ শ্লোগানে রাজমিস্ত্রিদের নিয়ে সোমবার (২৪ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর হাটখোলা সড়কের সিমেন্ট ও লৌহজাতদ্রব্য ব্যবসায়ী কল্যান সমিতি ভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট বরিশালের পরিবেশক মেসার্স হাওলাদার আয়রন স্টোরের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মাসুদ হাওলাদারের সভাপতিত্বে রাজসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট সাউথ উইংয়ের এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (সেলস্) মো. জিয়াউর রহমান। সভায় মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে রাজমিস্ত্রিদের কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের ব্যবহার ও গুণগত মান সম্পর্কে অবহিত করেন প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ। সঠিক নির্মানকাজ পরিচালনা এবং নির্মানকাজে সিমেন্টের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করেন এসোসিয়েশন অব বিল্ডিং কনসালটেন্স এর বরিশালের সভাপতি প্রকৌশলী শাহাদাত শরীফ। এ সময় রাজমিস্ত্রিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিলার গাজী এন্টারপ্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মহিউদ্দিন গাজী এবং হাওলাদার ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী হাবিবুর রহমান। কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট বরিশালের এরিয়া সেলস্ ম্যানেজার আব্দুল মালেক দেওয়ানের সঞ্চালনায় রাজসভায় বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ, রাজমিস্ত্রী রাসেল হাওলাদার ও সোহাগ মোল্লা। অনুষ্ঠানে র‌্যাফেল ড্র’র মাধ্যমে ১০ জন নির্মান শ্রমিককে পুরষ্কার এবং উপস্থিত ৪০ জন নির্মান শ্রমিককে কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। পরে তাদের নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

News

গাইবান্ধায় কিং ব্যান্ড সিমেন্টের মিলনমেলা

গাইবান্ধায় বসুন্ধরা গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের সহযোগীতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যবসায়ী মিলনমেলা। আজ শুক্রবার বিকেলে দুই ঘন্টাব্যাপি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোলাপবাগে পরিবেশক প্রতিষ্ঠান মেসার্স নির্মল কুমার সাহার আয়োজনে এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার প্রায় সাড়ে চারশ ব্যবসায়ী অংশ নেন। পরিবশেক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বধিকারি বিমল কুমার সাহা বৈদ্যর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কিং ব্যান্ড সিমেন্টের রংপুর-রাজশাহী উইং হেড মো. জিল্লুর রহমান। এতে বক্তব্য রাখেন কিং ব্যান্ড সিমেন্টের ডেপুটি ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম, এরিয়া ম্যানেজার সামিউল ইসলাম পিন্টু, টেরিটরি ম্যানেজার ইলিয়াস আলি মাসুম, পরিবেশক কৃষ্ণ কমল সাহা, গোবিন্দ চন্দ্র সাহা সহ অন্যরা। এর আগে কোরআন তেলায়ত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর পর পরিবেশক প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্ণধার প্রয়াত নির্মল কুমার সাহার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে ২৫ জন রিটেইলারকে এক্সক্লুসিভ রিটেইলার পুরস্কার এবং সেরা ২০ বিক্রেতাকে টপ টুয়েন্টি পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। কিং ব্র্যান্ড সিমেন্টের গাইবান্ধা জেলা পরিবেশক বিমল কুমার সাহা বলেন, কিং ব্যান্ড সিমেন্ট এখন জেলায় ব্যবহারকারি ও নির্মানকর্মীদের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। দিন দিন এর প্রসার বাড়ছে। এ জাতীয় আয়োজন ব্যবসায়ীদের উজ্জীবিত করবে। এজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, কিং ব্র্যান্ড সিমেন্ট উত্তরাঞ্চলে এখন সর্বাধিক বিক্রিত সিমেন্ট। দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে সাধারণ মানুষের আস্থা ও গুণগত মান ধরে রেখেছে।

কালের কণ্ঠ

News

মেঘনা সিমেন্টের শতভাগ উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহারে উদ্যোগ

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসিই) তালিকাভুক্ত সিমেন্ট খাতের কোম্পানি বসুন্ধরা গ্রুপের মেঘনা সিমেন্ট শতভাগ উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহারে উদ্যোগ নিয়েছে। মূলত মেঘনা সিমেন্টের উৎপাদন ক্ষমতা বছরের ৩৩ লাখ ১২ টন। কিন্তু চলমান করোনা সংক্রমণ ও অন্যান্য কারণে সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ অব্যবহ্নত উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহারে বিজয় মাস ডিসেম্বরের মেঘনা সিমেন্ট লিমিটেড বাজারে আনছে নতুন ব্যান্ড ‘বীর সিমেন্ট’। নতুন ব্র্যান্ডের সিমেন্ট বাজারজাত শুরু করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ বিশ্বে ৪০তম বৃহত্তম সিমেন্ট উৎপাদনকারী দেশ। আর দেশের মোট ১২৫টি সিমেন্ট কারখানা থাকলেও ৩৩টি সিমেন্ট কোম্পানি সক্রিয়। আর সবার সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা সাত কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চার কোটি এক লাখ মেট্রিক টন হলো কার্যকরী ক্ষমতা। বাংলাদেশে মাথাপিছু সিমেন্টের ব্যবহার তুলনামূলক কম। ফলে বাংলাদেশের এ খাতের প্রবৃদ্ধির অনেক সুযোগ আছে। ফলে বাড়াতে হবে উৎপাদন সক্ষমতা। এ কারণে গত কয়েক বছর ধরে কোম্পানিগুলো তাদের কারখানা সম্প্রসারণ করেছে। এতে বিদ্যমান কোম্পানিগুলোকে আগামী দশকে বিনিয়োগ আরও তিন থেকে চার গুণ বাড়াতে প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ ২০৩০-৩৫ সালে কোম্পানিগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা হতে হবে ২১ কোটি থেকে ২৪ কোটি মেট্রিক টন। আর এতে বিনিয়োগ করতে হবে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা। এই বৃহৎ পুঁজি সংগ্রহের প্রধান মাধ্যম হবে শেয়ারবাজার। এ সুযোগটাই পুরোপুরি কাজে লাগাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো। কারণ ব্যাংক খাতে বৃহৎ পুঁজি সরবরাহের সুযোগ নেই। মেঘনা সিমেন্ট পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯৫ সালে। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৭২ লাখ৮৭ হাজার ৩৬০টি। এর মধ্যে উদ্যেক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৯.৭৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩.০৬ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭.১৮ শতাংশ। ২০২১ অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ শেয়ারদর অনুযায়ী, কোম্পানিটির পেই রেশিও ৪১,৭৯ পয়েন্ট।

ঢাকা টাইমস